কিন্তু এই প্রত্যাবর্তন সরাসরি সহজভাবে আসে না, বরং সূক্ষ্ম পরিকল্পনার একটি ধারাবাহিকতার মাধ্যমে আসে: দুধমাতা নিষিদ্ধ করা, বোনের নজরদারি, তারপর এমন একটি পথে শিশুর মায়ের কাছে ফিরে আসা যা তার কল্পনায় আসেনি।
যদি কাহিনী কঠোর কালানুক্রমিক ক্রমে উপস্থাপিত হত, তাহলে এই গভীর অনুভূতি হারিয়ে যেত, কারণ কারণগুলির সংমিশ্রণ এবং বিস্ময়ের প্রভাব দুর্বল হয়ে যেত, এবং আল্লাহর জ্ঞান এই স্পষ্টতায় প্রকাশিত হত না।
এভাবে আমরা দেখি যে কুরআনিক বর্ণনা আমাদের “কী প্রথমে ঘটল তারপর কী ঘটল” জানাতে আগ্রহী নয়, বরং আমাদের দেখাতে আগ্রহী “কিভাবে ক্ষমতা কার্যকর হয়, কিভাবে প্রতিশ্রুতি পূর্ণ হয়, এবং কিভাবে দৃশ্যমান কারণগুলি গোপন পরিকল্পনার সাথে মিশে যায়।”
যদি পাঠকের কাছে ক্রমে অগ্রগতি এবং পিছিয়ে যাওয়া মনে হয়, তবে এটি কোনো ত্রুটি নয়, বরং এটি নিখুঁততা; কারণ কাহিনী শুধুমাত্র সময়ের রেখায় নির্মিত হয়নি, বরং অর্থের রেখায় নির্মিত হয়েছে, যা গভীরতর প্রভাব ফেলে এবং মনে স্থায়ী থাকে।
——————-
ক্যাটাগরি : কোরআন, তাফসির, সিরাত, তাজকিয়াহ,
✍ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।
✍ অনুবাদ যাচাই ও সম্পাদনা: মাওলানা মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ।
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/8954