বাস্তবভাবে এর অর্থ,
তিনি যেন শান্তভাবে তার ফরজ ইবাদত, নামাজ, রোজা ও অন্যান্য দায়িত্ব পালন করে যান। কুরআন তিলাওয়াত, যিকির ও দ্বীনি কাজে সম্পৃক্ততা বজায় রাখেন।
একই সাথে, নিজের ঈমানকে বারবার যাচাই বা “মাপার” প্রবণতা থেকে বিরত থাকেন। কারণ এটি প্রায়ই ওয়াসওয়াসার দরজা খুলে দেয়।
মনোযোগ থাকা উচিত আমলের ওপর,
অভ্যন্তরীণ ওঠানামার ওপর নয়, যা মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো,
রাসূল সা. এর এই আশ্বাস হৃদয়ে গেঁথে নেওয়া যে, অনিচ্ছাকৃতভাবে আসা চিন্তার জন্য মানুষকে জবাবদিহি করতে হবে না, যতক্ষণ না সে তা মুখে বলে বা কাজে পরিণত করে।
এই নীতি এক বিশাল স্বস্তি এনে দেয়, কারণ এসব কুমন্ত্রণা যতই কষ্টদায়ক হোক, এগুলো নিজের মধ্যে কোনো গুনাহ নয় এবং এগুলো নিজে থেকে ঈমানকে ক্ষতিগ্রস্তও করে না।
সময়ের সাথে সাথে, আল্লাহর ইচ্ছায়, এই চিন্তাগুলো দুর্বল হয়ে যাবে এবং একসময় মিলিয়েও যাবে।
যেকোনো মানসিক অভ্যাসের মতোই, ওয়াসওয়াসা মনোযোগ পেলে বেঁচে থাকে, আর উপেক্ষা করলে ধীরে ধীরে নিঃশেষ হয়ে যায়।
অতএব, উপেক্ষাই এখানে শক্তি,
এবং স্থির আমলই হলো নিরাপত্তা।
———–
ক্যাটাগরি : তাজকিয়াহ, উপদেশ, ইসলামি চিন্তাধারা, ফাতাওয়া
✍ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।
✍ অনুবাদ যাচাই ও সম্পাদনা: মাওলানা মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ।
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/8950