AkramNadwi

আর আমি হেসে উঠি। হেসে বুঝে নিই, বার্ধক্য একসঙ্গে অ

আর আমি হেসে উঠি। হেসে বুঝে নিই, বার্ধক্য একসঙ্গে অস্তিত্বের অস্বীকৃতি এবং তাকে ভদ্রভাবে সমাপ্ত করার এক মার্জিত আঘাত। এটি আমার প্রদর্শনীমূলক সত্তাকে ভেঙে দেয়, যে সত্তা দাঁড়িয়ে ছিল কোলাহল, পরিকল্পনা আর প্রতিশ্রুতির ওপর।

আর যা অবশিষ্ট থাকে, তা আশ্চর্য রকমের সরল, শুধু স্থায়িত্ব। না অগ্রগতি, না সম্ভাবনা—শুধু টিকে থাকা।

আর আমি নিজেকেই বলি, এই অস্বীকৃতি, এই সরলতা, এই সমস্ত সীমাবদ্ধতা, আসলে স্বাধীনতারই এক রূপ। কারণ শেষ পর্যন্ত বার্ধক্য অস্তিত্বকে অস্বীকার করে না; সে কেবল তার প্রচলিত, জনপ্রিয় ও প্রতারণাময় ছদ্মবেশ বদলাতে অস্বীকার করে। এ এক এমন অস্তিত্ব, যেখানে নেই প্রদর্শন, নেই তাড়াহুড়ো, নেই কোনো অজুহাত।

আর এটাও আমি জানি, যদি এসব কিছু অস্বীকৃতি বলে মনে হয়, তবে দোষ বার্ধক্যের নয়; দোষ আমার সেই পুরোনো ভুল বোঝাবুঝির, যেখানে আমি ভেবেছি অস্তিত্বকে বেঁচে থাকতে হলে সব সময় কত রকম ভরকেন্দ্র আর সনদের প্রয়োজন।

হ্যাঁ, আমি আছি, শুধু এই কারণে যে আমি এখনো এখানে আছি। আর এটাই আমার সবচেয়ে খাঁটি, সবচেয়ে সত্য বাস্তবতা।

——————–

ক্যাটাগরি : ইসলামি চিন্তাধারা, উপদেশ, ফিলোসোফি।
✍ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।
✍ অনুবাদ যাচাই ও সম্পাদনা: মাওলানা মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ।
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/8077

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *