তাঁরা বললেন: আল্লাহ কাদের ওপর তাঁর আযাব নাযিল করেন? আর এর সময়ই বা কখন?
আমি বললাম: আল্লাহ তাআলা আখিরাতে কাফির, মুশরিক ও মুনাফিকদেরকে জাহান্নামের আগুনে নানা প্রকার শাস্তি দেবেন, সেখানে তারা চিরস্থায়ী হবে। আর মুসলিম ও মুমিনদের মধ্য থেকে যারা গুনাহে লিপ্ত, তাদেরকেও তিনি আগুনে প্রবেশ করাবেন, তবে তারা সেখানে চিরস্থায়ী হবে না। আর সবাইকেই কবরের জীবনে পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হবে, কবরের ফিতনার মাধ্যমে।
তাঁরা বললেন: দুনিয়াতে আযাব দেওয়ার ক্ষেত্রে আল্লাহর নির্ধারিত নীতি আমাদের কাছে স্পষ্ট করুন।
আমি বললাম: দুনিয়াতে আল্লাহর আযাব দুই প্রকার।
প্রথম প্রকার হলো, যখন আল্লাহ কোনো জাতির কাছে রাসূল প্রেরণ করেন এবং তাদের ওপর প্রমাণ পূর্ণ করে দেন, তারপর তারা কুফর অবলম্বন করে। তখন আল্লাহ তাঁর রাসূল ও তাদের সঙ্গে থাকা মুমিনদেরকে হিজরতের নির্দেশ দেন। এরপর কাফিরদের ওপর তিনি ভয়াবহ শাস্তি নাযিল করেন, যা তাদেরকে শাস্তির দৃষ্টান্তে পরিণত করে এবং সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। যেমন তিনি নূহের কওম, আদ, সামূদ ও লূতের কওমের সঙ্গে করেছেন। এ ধরনের আযাবের কথাই বোঝানো হয়েছে আল্লাহর এই বাণীতে:
আমি কোনো জাতিকে আযাব দিই না, যতক্ষণ না একজন রাসূল প্রেরণ করি।
আর এ বাণীতেও:
আল্লাহ তাদের আযাব দেবেন না, যতক্ষণ তুমি তাদের মধ্যে আছ, এবং আল্লাহ তাদের আযাব দেবেন না, যতক্ষণ তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে।
এই আয়াতে ‘যতক্ষণ তারা ক্ষমা প্রার্থনা করে’ কথাটি প্রমাণ করে যে, সৎ ও সংস্কারক লোকদের ওপর এ ধরনের আযাব নাযিল হয় না। আল্লাহ তাআলা বলেন: তোমার রব কখনোই জনপদসমূহকে অন্যায়ভাবে ধ্বংস করেন না, যখন তাদের অধিবাসীরা সংশোধনকারী হয়।
তাঁরা বললেন: দ্বিতীয় প্রকারটি কী?
আমি বললাম: দ্বিতীয় প্রকার হলো,আল্লাহর কঠোর পাকড়াও, যা তিনি জালিম, সীমালঙ্ঘনকারী, বিদ্রোহী ও পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টিকারীদের ওপর প্রয়োগ করেন, যখন তাদের ফাসাদ সীমা ছাড়িয়ে যায়। এ ধরনের আযাবের জন্য রাসূল প্রেরণের শর্ত নেই। যেমন তিনি হাতির অধিবাসীদের সঙ্গে করেছেন, যখন তারা অহংকারে উন্মত্ত হয়ে পৃথিবীতে ভয়াবহ বিপর্যয় সৃষ্টি করেছিল।
এ ধরনের আযাব অনেক সময় মানুষের হাতেই সংঘটিত হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন: যখন প্রথম প্রতিশ্রুত সময় এসে গেল, তখন আমরা তোমাদের ওপর আমাদের এমন বান্দাদেরকে পাঠালাম, যারা ছিল প্রবল শক্তিধর; তারা ঘরের ভেতর পর্যন্ত তছনছ করে দিল। এটি ছিল এক বাস্তবায়িত প্রতিশ্রুতি।
এ ধরনের আযাবের আগে হিজরত ঘটে না; ফলে এতে মুসলিম ও কাফির সবাই একসঙ্গে ধ্বংস হয়। পরে সবাইকে তাদের নিয়ত অনুযায়ী পুনরুত্থিত করা হয়। সহিহ হাদিসে আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বর্ণনা করেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন—একটি বাহিনী কাবার দিকে অগ্রসর হবে; তারা যখন একটি বিস্তীর্ণ মরুভূমিতে পৌঁছবে, তখন তাদের প্রথম ও শেষ সবাইকে ভূমিতে ধসিয়ে দেওয়া হবে। আমি বললাম: হে আল্লাহর রাসূল! তাদের মধ্যে তো ব্যবসায়ী ও এমন লোকও থাকবে যারা তাদের অন্তর্ভুক্ত নয়। তিনি বললেন: সবাইকে ধসিয়ে দেওয়া হবে, তারপর কিয়ামতের দিন তাদের নিয়ত অনুযায়ী পুনরুত্থিত করা হবে।
এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে এক শাস্তিমূলক প্রতিফলন, যাতে কাফির ও মুসলিম উভয়ের মধ্যকার অহংকারী জালিমরা সমান হয়ে যায়। ইতিহাসের বিভিন্ন যুগে এভাবে বহু মুসলিম জাতিও ধ্বংস হয়েছে। ইরাক, মিসর ও লিবিয়ায় যা ঘটেছে, তা আমাদের থেকে খুব দূরের কিছু নয়। আল্লাহ তাঁর কিতাবে বা তাঁর নবীর ভাষ্যে যে শাস্তিমূলক বিধান নির্ধারণ করেছেন, সেগুলোও এই প্রকারের অন্তর্ভুক্ত। তাই বলা হয়েছে, তাদের শাস্তি যেন মুমিনদের একটি দল প্রত্যক্ষ করে। তবে এসব শাস্তি যদি আন্তরিক তাওবার সঙ্গে হয়, তাহলে তা গুনাহ থেকে পরিশুদ্ধির মাধ্যম হয়ে যায়।
তাঁরা বললেন: পৃথিবীর নানা প্রান্তে যে ভূমিকম্প, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়, এগুলোর ব্যাখ্যা কী? আমাদের কাছে বিষয়টি ধোঁয়াশা। কেউ এগুলোকে আদ ও সামূদের মতো আযাব মনে করে, আর কেউ চোখ-কান বন্ধ করে এগুলোকে নিছক স্বাভাবিক ঘটনা বলে উড়িয়ে দেয়, যার ভেতর থেকে তারা কোনো শিক্ষা বা উপদেশ গ্রহণ করে না; বরং গাফিলতির মধ্যে পথ হারিয়ে, কামনায় ডুবে, পাপের দুঃসাহসে লিপ্ত থাকে।
আমি বললাম: এগুলো আল্লাহর নিদর্শন, যা তিনি পৃথিবীর অধিবাসীদের ওপর প্রেরণ করেন। এর মাধ্যমে তিনি তাদের স্মরণ করিয়ে দেন তাঁর অপ্রতিহত ক্ষমতার কথা, তাঁর এমন বাহিনীর কথা, যার মোকাবিলা করার শক্তি মানুষের নেই। এগুলো মানুষের জন্য সতর্কবার্তা, নিবৃত্তি ও সাবধানতা, আসলে এক ধরনের রহমত; যেন কাফির ও মুশরিকরা তাদের কুফর ও শিরক থেকে ফিরে আসে, আর মুসলিমদের গুনাহগাররা তাদের পাপ থেকে নিবৃত্ত হয়, অহংকার ত্যাগ করে এবং খেল-তামাশা থেকে বিরত থাকে। আল্লাহ বলেন: ফেরাউন ও তার কওমের প্রতি নয়টি নিদর্শনসহ। আর বলেন: অতঃপর আমরা তাদের ওপর প্রেরণ করলাম প্লাবন, পঙ্গপাল, উকুন, ব্যাঙ, স্পষ্ট নিদর্শনরূপে। এর মধ্যে রয়েছে মূসা আলাইহিস সালামের কওমের ওপর তূর পাহাড় উত্তোলনের ঘটনা, যখন বলা হয়েছিল: আমরা যা দিয়েছি তা শক্তভাবে ধারণ করো, আর তাতে যা আছে তা স্মরণ করো, যেন তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর। এর মধ্যেই সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণও রয়েছে, যা ঘটলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নামাজে আশ্রয় নিতেন।
তাঁরা বললেন: অগ্নিকাণ্ড, ভূমিকম্প, ভূমিধস, প্রবল বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়, এসব তো প্রাকৃতিক দুর্যোগ; এগুলোর প্রাকৃতিক কারণ আছে, প্রাকৃতিক উপকার ও অপকারও আছে। যেমন ভূমিকম্প হয় ভূত্বকের প্লেটের নড়াচড়ার কারণে, আগ্নেয়গিরি কোনো কোনো দেশের জন্য সম্পদের উৎসও হয়ে ওঠে, কারণ আগ্নেয় মাটিতে কফি চাষ ভালো হয়। আবার কিছু দুর্যোগ আবহাওয়াজনিত, যেমন আগুন, বন্যা ও ঝড়। তাহলে প্রাকৃতিক কারণ থাকা সত্ত্বেও এগুলোকে কীভাবে নৈতিকভাবে সতর্ককারী নিদর্শন বলা যায়?
আমি বললাম: প্রকৃতির সব কিছুই আল্লাহর সৃষ্টি ও তাঁর নির্দেশাধীন। তিনি এগুলোকে সৃষ্টি করেছেন, নির্দিষ্ট সময় ও সীমা নির্ধারণ করেছেন, এবং কারণ ও ফলাফলের শৃঙ্খলে বেঁধেছেন। কোনো একটি ঘটনা একই সঙ্গে প্রাকৃতিক ও অপ্রাকৃতিক, উভয় কারণেই সংঘটিত হতে পারে। যেমন ভূমিকম্পের একটি জানা প্রাকৃতিক কারণ থাকে, কিন্তু তা সত্ত্বেও এর পেছনে ধর্মীয় ও নৈতিক কারণ থাকা অসম্ভব নয়; বরং এর বহু গোপন কারণও থাকতে পারে।
তাঁরা বললেন: যদি কোনো নির্দিষ্ট স্থানে ও নির্দিষ্ট সময়ে ভূমিকম্প একটি জানা প্রাকৃতিক কারণে ঘটে, তাহলে তা কীভাবে ঠিক সেই স্থান ও সেই সময় মানুষের পাপাচারের সঙ্গে মিলিয়ে যায়?
আমি বললাম: আল্লাহ তাআলা এমনভাবে সেই প্রাকৃতিক কারণের প্রবাহ নির্ধারণ করেছেন, যা ঐ অঞ্চলে ও ঐ সময়ে মানুষের ফাসাদের তীব্রতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ হয়। তাঁর ক্ষমতা আমাদের জানা ও অজানা সব কিছুকে পরিবেষ্টন করে, আর তাঁর মর্যাদা কখনো ক্ষুণ্ন হয় না। তাঁর সিদ্ধান্ত অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ, সবকিছুকে অন্তর্ভুক্ত করে। তাঁর ফয়সালার প্রকাশ্য দিকও আছে, অপ্রকাশ্য দিকও আছে। সৃষ্টির জ্ঞান তাঁর সিদ্ধান্তের গভীরতায় পৌঁছাতে অক্ষম। তাঁর জ্ঞানকে আড়াল করার মতো কিছুই নেই, সব গোপন ও প্রকাশ্য বিষয় একান্তভাবে তাঁরই কাছে সমবেত।
আর এই সব দুর্যোগের প্রত্যেকটির সঙ্গেই আল্লাহ তাআলার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা অনুযায়ী কিছু উপকার ও কিছু অপকার যুক্ত থাকে। বিশ্বজগতের সামগ্রিক কল্যাণের জন্য এগুলোকে যদিও তিনি নিয়োজিত করেছেন, তবু একই সঙ্গে এগুলো তাঁর বিস্ময়কর ক্ষমতার স্পষ্ট নিদর্শন। বৃষ্টি এক সম্প্রদায়ের জন্য উপকারী হতে পারে, আবার অন্যদের জন্য ক্ষতিকরও হতে পারে। কোনো খাদ্য বা পানীয় এক শ্রেণির মানুষের জন্য উপযোগী, অথচ অন্যদের জন্য তা ক্ষতিকর হয়ে দাঁড়ায়। সৃষ্টিজগতের প্রতিটি বস্তুরই এমন উপকার ও অপকার রয়েছে। এ কারণেই আমাদের শেখানো হয়েছে, বলুন, আমি সৃষ্টিজগতের রবের আশ্রয় চাই, তাঁর সৃষ্টির অনিষ্ট থেকে।
তাঁরা বললেন: এসব দুর্যোগ ও বিপর্যয়কে কি আল্লাহর অসন্তোষ ও ক্রোধের সঙ্গে সম্পর্কিত করা সঠিক?
আমি বললাম: হ্যাঁ।
তাঁরা বললেন: তাহলে ধর্মনিরপেক্ষরা ও তাদের অনুসারীরা আমাদের নিয়ে হাসাহাসি করবে, বিদ্রূপ করবে। তারা বলবে, এগুলো তো পরিচিত স্বাভাবিক কারণের ফল।
আমি বললাম: এটি এই বিশ্বজগতের সূক্ষ্ম ও অন্তর্নিহিত রহস্য সম্পর্কে তাদের অজ্ঞতারই বহিঃপ্রকাশ। যেমনটি আগেই বলেছি, প্রাকৃতিক কারণের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়া মানে এই নয় যে এর পেছনে নৈতিক বা অন্তর্গত কারণ নেই। এই দুটির মধ্যে কোনো বিরোধ নেই। বরং নৈতিক ও অন্তর্গত কারণ অস্বীকার করাই প্রকৃত অজ্ঞতা ও মূর্খতা। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই ধর্মনিরপেক্ষরাই নির্লজ্জভাবে বলে, এগুলো নাকি প্রকৃতির ক্রোধ। তাদের কাছে ঘটনাকে সৃষ্টির দিকে সম্বন্ধ করা বিজ্ঞান, আর স্রষ্টার দিকে সম্বন্ধ করা অজ্ঞতা! কী ভয়াবহ বোকামি, কী গভীর ভ্রান্তি!
তাঁরা বললেন: কখনো কখনো এসব দুর্যোগ একটি জনগোষ্ঠীকে সম্পূর্ণরূপে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। তাহলে তারা কীভাবে এতে সতর্ক হবে?
আমি বললাম: যারা বেঁচে থাকে, এটি তাদের জন্য সতর্কবার্তা। আর যারা ধ্বংস হয়, তাদের মধ্যে কাফির ও পাপাচারীদের জন্য এটি শাস্তি।
তাঁরা বললেন: এসব দুর্যোগে যারা নেককার মুসলিম মৃত্যুবরণ করে, তাদের কী হবে?
আমি বললাম: তাদের জন্য এতে শাহাদাতের সওয়াব রয়েছে।
তাঁরা বললেন: যদি এসব দুর্যোগে কোনো মুসলিমের সম্পদ নষ্ট হয়, দেহে বা পরিবারে ক্ষতি হয়, তবু কি সে সওয়াব পাবে?
আমি বললাম: হ্যাঁ, যদি সে ধৈর্য ধারণ করে এবং আল্লাহ ছাড়া কারো কাছে অভিযোগ না করে, আল্লাহরই সাহায্য চায় এবং তাঁর দিকেই ফিরে আসে। কেননা যে কোনো বিপদ তার ওপর আসে, তার মাধ্যমে আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করে দেন এবং তার মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।
তাঁরা বললেন: আমাদের নিজেদের ভেতরেই কি নিদর্শন নেই? আল্লাহ যে কিতাব নাযিল করেছেন, তাতে কি নিদর্শন নেই? সমগ্র বিশ্বজগতই কি তাঁর নিদর্শনে ভরা নয়? তাহলে আমাদের কেন এসব ধ্বংসাত্মক, ভীতিকর ও আতঙ্কসৃষ্টিকারী নিদর্শনের প্রয়োজন হয়?
আমি বললাম: তোমরা খুব সুন্দর প্রশ্ন করেছ। সত্যিই, আল্লাহ যা কিছু সৃষ্টি করেছেন এবং যা কিছু আদেশ হিসেবে নাযিল করেছেন, সবই তাঁর নিদর্শন; যা তাঁর ক্ষমতা, জ্ঞান, দয়া ও রব্বুবিয়্যাতের প্রমাণ, এবং এ কথারও প্রমাণ যে তিনিই একমাত্র উপাসনার যোগ্য। কিন্তু অধিকাংশ মানুষ এসব নিয়ে চিন্তা করে না, গভীরভাবে ভাবে না। তাদের বুদ্ধি শিথিল, মন উদাস, তারা মুখ ফিরিয়ে থাকে এবং প্রতারণার আবাসের দিকে ছুটে চলে। চলমান দুর্ঘটনা ও বিপর্যয় তাদের সচেতন করে না। তাই তাদের রব দয়া করে ভীতি প্রদর্শনকারী নিদর্শন প্রেরণ করেন, যাতে তারা ফিরে আসে।
“এই উপমাগুলো আমি মানুষের জন্য বর্ণনা করি, কিন্তু কেবল জ্ঞানীরাই তা অনুধাবন করে।”
“আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীতে কত নিদর্শনই তো রয়েছে, মানুষ সেগুলোর পাশ দিয়ে চলে যায়, অথচ সেগুলোর প্রতি তারা উদাসীন। তাদের অধিকাংশই আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করে, কিন্তু শিরক থেকে মুক্ত হয় না। তবে কি তারা নিরাপদ মনে করে যে আল্লাহর শাস্তি হঠাৎ তাদের ঢেকে ফেলবে না, অথবা কিয়ামত আকস্মিকভাবে এসে পড়বে না, অথচ তারা টেরও পাবে না?”
———-
ক্যাটাগরি : ইসলামি চিন্তাধারা, উপদেশ, তাজকিয়াহ, তারিখ, কোরআন
✍ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।
✍ অনুবাদ যাচাই ও সম্পাদনা: মাওলানা মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ।
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/1929