পরিষ্কার হওয়া উচিত: ছবিটি কী নিয়ে? এটি কোন উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে? এটি কীভাবে ব্যবহার করা হবে? এতে কি শরীয়তের কোনো নিষিদ্ধ বিষয় রয়েছে? এবং এটি কি কোনো ব্যক্তির অধিকার, সম্মান, গোপনীয়তা বা সত্যের প্রতি অঙ্গীকারকে ক্ষতিগ্রস্ত করে?
অতএব, সব ধরনের এআই ছবি হারাম—এভাবে বলা যেমন সঠিক নয়, তেমনি এটি কৃত্রিম বলে সব ধরনের এআই ছবি নিঃশর্তভাবে বৈধ—এমন ঘোষণা দেওয়াও সঠিক নয়। উভয় সার্বিক রায়ই বিষয়টির জটিলতাকে উপেক্ষা করে। অধিক সতর্ক ও বিদ্বানসুলভ অবস্থান হলো প্রতিটি পরিস্থিতিকে তার বাস্তবতা, উদ্দেশ্য ও পরিণামের আলোকে মূল্যায়ন করা।
বিশেষ করে যেখানে বিষয়টি জীবন্ত সত্তার ছবি, নারী বা পুরুষের আওরাহ, অশ্লীল বা অশোভন দৃশ্য, ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব, বাস্তব ব্যক্তিদের ভুয়া ছবি, বাণিজ্যিক ব্যবহার, কপিরাইট, বা এমন ছবি যা কারো সম্মান বা সুনাম ক্ষুণ্ণ করতে পারে—এসব ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ পরিস্থিতি একজন যোগ্য মুফতি বা ফিকহ বিশেষজ্ঞের সামনে উপস্থাপন করে রায় গ্রহণ করা উত্তম।
সংক্ষেপে, এআই নিজে স্বতঃসিদ্ধভাবে হারাম নয়, আবার এমন কোনো সাধারণ অনুমতিও পায় না যা এর প্রতিটি ব্যবহারকে বৈধ করে দেয়। এআই একটি মাধ্যম; প্রকৃত শরঈ প্রশ্নটি সেই মাধ্যমে সম্পাদিত কাজের সাথে সম্পর্কিত। যেমন প্রতিটি নতুন আবিষ্কারের ক্ষেত্রে আধুনিক বিশ্বের ফিকহের কাজ কেবল “এটি নতুন”—এটি বলা নয়, বরং এটি কোন বিদ্যমান শরঈ নীতির সাথে সম্পর্কিত তা নির্ণয় করা—তেমনি এআই-এর ক্ষেত্রেও আমাদের নীতি, উদ্দেশ্য, বাস্তবতা ও পরিণামকে একত্রে বিবেচনা করতে হবে।
সম্ভবত এই পুরো আলোচনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক নীতি হলো: যা বাস্তব নয়, তা বাস্তব হিসেবে উপস্থাপন করা যাবে না। এআই আমাদের কল্পনাকে ছবিতে রূপান্তর করার ক্ষমতা দিতে পারে, কিন্তু সেই ক্ষমতা আমাদের সত্য পরিবর্তনের অধিকার দেয় না।
———
ক্যাটাগরি : #ফিকহ, #বিজ্ঞান, #চিন্তা, #পরামর্শ
✍ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।
✍ অনুবাদ: এই নিবন্ধটি AI দ্বারা অনুবাদ করা হয়েছে।
https://t.me/DrAkramNadwi/10560
ড. মুহাম্মাদ আকরাম নদভীর প্রবন্ধের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল:
https://WhatsApp.com/channel/0029VbAxp2qGpLHHqQ3LoY0w