তিনি বললেন : আমি বয়ানের সন্তান, ভাষার লালিতপুত্র। সময়ের অবশিষ্ট থেকে জীবিকা গ্রহণ করি, কল্পনা থেকে মালা গাঁথি, আর অর্থহীনতা থেকে উদ্দেশ্য নির্মাণ করি। আমি হাসি তাদের ওপর, যারা জ্ঞান ছাড়াই পাগড়ি পরে, ধৈর্য ছাড়াই নেতৃত্ব দেয়, যারা ছায়া ও প্রশান্ত ছায়ার পার্থক্য বোঝে না, অস্তিত্ব ও অনস্তিত্বের ভেদ করে না।
এরপর তিনি আতঙ্কিতের মতো লাফিয়ে উঠলেন, উন্মত্তের মতো হাততালি দিলেন, এবং বললেন, চল, আহার করি সময় ফুরাবার আগে! কারণ এই মাকামা ক্ষুধা নিবারণ করে না, তৃষ্ণা মেটায় না, যদিও তুমি তা যুগের পর যুগ প্রতি সপ্তাহে আবৃত্তি করো!
আমি তাকে তার অবস্থায় ছেড়ে দিলাম, সে তার পছন্দে রইল, আর আমি তাকে রেখে এলাম দর্শনার্থী ও গন্তব্যের মাঝে। বুঝতে পারলাম না, সে কি আড়ালে থাকা জ্ঞানী, না প্রকাশ্য নির্বোধ!
তবে মনে মনে চাইলাম, তার মতো লোক যেন মানুষের মাঝে বাড়ে; যাতে তার কথা গাফেলকে জাগিয়ে তোলে, আর তার কাজ বুদ্ধিমানকে হাসায়।
তাই একে সংরক্ষণ করো, হে সময়ের সন্তান! এতে রয়েছে এমন শিক্ষা, যা বিভ্রম দূর করে; আর এমন ছন্দময়তা, যা কানে সুধা ঢালে, রুচি ও স্বভাবকে তৃপ্ত করে।
———-
ক্যাটাগরি : লুগাহ, ইসলামি চিন্তাধারা, সমালোচনা
✍ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।
✍ অনুবাদ যাচাই ও সম্পাদনা: মাওলানা মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ।
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/8804