তাকে মু‘তাযিলী বলা একটি স্পষ্ট ভুল এবং তার কালামি যাত্রা মাতুরিদি ধারায় পৌঁছেছে। এছাড়াও, তার পরবর্তী জীবনের গবেষণামূলক আগ্রহ—বিশেষ করে ইবনে তাইমিয়্যা ও মুহাদ্দিসদের পদ্ধতির প্রতি তার সাদৃশ্য—উপেক্ষা করা যায় না।
অতএব, অধিক সতর্ক ও একাডেমিকভাবে সঠিক অবস্থান হলো—শিবলীকে কোনো একক মতবাদের নিঃশর্ত প্রতিনিধি বানানো নয়, এবং কয়েকটি বিতর্কিত বিষয়ের ভিত্তিতে তাকে “মু‘তাযিলী” ঘোষণা করাও নয়।
তিনি ছিলেন অন্তর্দৃষ্টি, ইজতিহাদ ও চিন্তার অধিকারী একজন ব্যক্তি, যিনি ইসলামী জ্ঞানচর্চার পরিসরের মধ্যেই থেকে তার যুগের প্রশ্নগুলোর মোকাবিলা করার চেষ্টা করেছেন।
তার সাথে মতভেদ সম্ভব; বরং বুদ্ধিবৃত্তিক অগ্রগতির জন্য তা প্রয়োজনীয়। কিন্তু মতভেদ হতে হবে প্রমাণসহ, এবং আরোপ হতে হবে সুস্পষ্ট প্রমাণের ভিত্তিতে। শিবলীর জ্ঞানগত অবদান স্বীকার করা মানে তার প্রতিটি মতের সাথে একমত হওয়া নয়। তার মহানতা এখানেই যে, তীব্র প্রয়োজনের এক সময়ে তিনি মুসলমানদের চিন্তা করতে আহ্বান জানিয়েছেন, তাদের জ্ঞানগত ঐতিহ্যকে নতুন সচেতনতার সাথে পড়তে উদ্বুদ্ধ করেছেন এবং আধুনিক বিশ্বের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশ্নগুলোর মুখোমুখি হতে ডেকেছেন। আল্লাহ তাআলা—যিনি মহান—আল্লামা শিবলী নোমানী রহিমাহুল্লাহর জ্ঞানগত ও দ্বীনি খেদমতসমূহ কবুল করুন, তার ত্রুটিসমূহ মার্জনা করুন, তার জ্ঞানকে উপকারী করে দিন এবং আমাদেরকে আমাদের পূর্বসূরিদের বিষয়ে বুদ্ধিবৃত্তিক সততা, ন্যায় ও সদিচ্ছার সাথে গবেষণা করার তাওফিক দান করুন। আমীন।
———
✍ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।
✍ অনুবাদ: এই নিবন্ধটি AI দ্বারা অনুবাদ করা হয়েছে।
https://t.me/DrAkramNadwi/10412
ড. মুহাম্মাদ আকরাম নদভীর প্রবন্ধের জন্য হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল:
https://WhatsApp.com/channel/0029VbAxp2qGpLHHqQ3LoY0w