এতে এই কথা বোঝায় না যে, উসূলশাস্ত্রের কোনো মূল্য নেই, বা যারা এ নিয়ে কাজ করেছেন তারা উম্মাহকে কোনো গুরুত্বপূর্ণ সেবা দেননি—এমন বলা অন্যায়।
এই শাস্ত্রগুলো নির্দিষ্ট জ্ঞানচর্চার প্রেক্ষাপটে জন্ম নিয়েছে, এবং ফিকহী চিন্তাকে সুসংগঠিত করা, ইস্তিনবাতের পদ্ধতি নির্ধারণ করা ও জ্ঞানপদ্ধতি স্পষ্ট করার ক্ষেত্রে এগুলোর বড় ভূমিকা রয়েছে।
কিন্তু সমস্যা তখনই শুরু হয়, যখন মনে করা হয়—এই শাস্ত্রগুলোই কুরআনে পৌঁছানোর একমাত্র দরজা। অথবা যখন একজন ছাত্রকে এমন ধারণা দেওয়া হয় যে, কিতাবুল্লাহ বোঝার আগে তাকে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে হবে—যেখানে স্তরে স্তরে জমে থাকা পরিভাষা, মতভেদ ও বিতর্ক অতিক্রম না করলে সে কুরআনের কাছে পৌঁছাতে পারবে না।
বাস্তবতা হলো—কালামশাস্ত্রের অনেক আলোচনা কুরআনের ছাত্রকে কুরআনের নিকটবর্তী করে না। আবার উসূলুল ফিকহের অনেক পরবর্তী বিতর্ক এমন সব বিষয় নিয়ে, যা নির্দিষ্ট এক জ্ঞানচর্চার পরিবেশে জন্ম নিয়েছে—প্রথম যুগের মানুষের সামনে সেগুলো আদৌ উপস্থিতই ছিল না।
ফলে একজন ছাত্র বহু বছর এসব আলোচনার পেছনে ব্যয় করতে পারে, এবং শেষে এমন অবস্থায় পৌঁছাতে পারে—যেখানে সে কালামবিদ ও উসূলবিদদের মতামত সম্পর্কে বেশি অবগত, কিন্তু কুরআনের আত্মা ও তার হিদায়াতের আরও কাছে পৌঁছানো তার জন্য অপরিহার্যভাবে ঘটে না।
———-
ক্যাটাগরি : ফিকাহ, ফাতাওয়া, আখলাক, ইসলামি চিন্তাধারা, হাজ্জ,
✍ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।
✍ অনুবাদ AI, সম্পাদনা, মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ।
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/9286