https://t.me/DrAkramNadwi/5904
بسم الله الرحمن الرحيم.
”
————————–
কুরআন ও সুন্নাহে উল্লেখিত বিধান ও নির্দেশনার সম্বোধন সমগ্র মুসলমানদের প্রতি, চাই তারা সমাজের যে কোনো শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত হোক। আল্লাহর দাসত্বে শাসক-প্রজা, ধনী-গরিব, পুরুষ ও নারী—সকলেই সমান। এই শ্রেণিগুলোর কারো জন্য ব্যতিক্রম তখনই হবে, যখন এর জন্য সুস্পষ্ট দলিল বিদ্যমান থাকবে। রাসূলুল্লাহ ﷺ–এর মর্যাদা সর্বোচ্চ, তবুও আমাদের তাঁর অনুসরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আমরা এই অজুহাত দেখাতে পারি না যে, আমরা কোথায় আর নবীদের সরদার কোথায়! অবশ্যই কিছু বিধান তাঁর জন্য বিশেষ, এবং এর দলিল স্পষ্টভাবে বিদ্যমান। তবে যেখানে তেমন কোনো দলিল নেই, সেখানে তাঁর অনুসরণ করা আবশ্যক।
এই ভূমিকার পর আমরা এখন এই বিষয়ে চিন্তা করব যে, কুরআন ও সুন্নাহে ই‘তিকাফ সম্পর্কে সাধারণ নির্দেশনা কী? এর প্রকৃতি স্পষ্ট হওয়ার পর, প্রত্যেক মুসলমান—পুরুষ হোক বা নারী—এর প্রতি অঙ্গীকারবদ্ধ থাকবে, যদি না কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ দ্বারা ব্যতিক্রম বা বিশেষ বিধান প্রমাণিত হয়। আমরা প্রথমে সাধারণ নির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করব, তারপর দেখব যে, এই সাধারণ বিধান থেকে নারীদের আলাদা করার জন্য কোনো শরঈ দলিল রয়েছে কি না।
সাধারণ নির্দেশনা:
আল্লাহ তাআলা বলেন,
“وَلَا تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ”
(অর্থ: যখন তোমরা মসজিদে ই‘তিকাফরত থাক, তখন তোমাদের স্ত্রীর সাথে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন কোরো না।) (সূরা আল-বাকারা: ১৮৭)
অন্য এক আয়াতে বলা হয়েছে,
“وَطَهِّرْ بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ”
(অর্থ: আমার ঘরকে পাক-পবিত্র রাখো তাওয়াফকারী, ই‘তিকাফকারী ও রুকু-সিজদাকারীদের জন্য।) (সূরা আল-বাকারা: ১২৫)
এই দুই আয়াত থেকে বোঝা যায় যে, ই‘তিকাফের স্থান হলো মসজিদ। এখন প্রশ্ন হলো, মসজিদ কাকে বলে?
সহীহাইন-এ বর্ণিত এক হাদিস অনুযায়ী, সমগ্র পৃথিবীই মসজিদ; মুসলমান যেখানেই চায়, সেখানেই সালাত আদায় করতে পারে। ভাষাগত ও শরঈ দৃষ্টিকোণ থেকে মসজিদের ধারণাকে এত ব্যাপক অর্থে গ্রহণে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু প্রতিটি প্রসঙ্গে কি মসজিদের এই ব্যাপকতা থাকবে?
আমরা যখন কোনো শব্দ ব্যবহার করি, তখন তার অর্থের স্তরবিন্যাস থাকে। কখনো নিম্নস্তরের অর্থ বোঝানো হয়, কখনো উচ্চস্তরের, আর কখনো নিম্ন ও উচ্চস্তরের মধ্যবর্তী কোনো স্তর বোঝানো হয়। ‘পানি’ শব্দের ব্যবহার এক ঢোক পানির ক্ষেত্রেও হতে পারে, আবার সমুদ্রের অফুরন্ত পানির ক্ষেত্রেও। অনুরূপভাবে, অন্যান্য বিষয়েও এ নিয়ম প্রযোজ্য।
‘মসজিদ’ শব্দের প্রয়োগ যে কোনো স্থানে হতে পারে, যেখানে সালাত আদায় করা হয়, চাই সেখানে কোনো স্থাপনা থাকুক বা না থাকুক। ঘরের ভেতরে যেখানে সালাত আদায় করা হয়, তাকেও ‘মসজিদ’ বলা যেতে পারে। আবার যে স্থাপনা কেবলমাত্র আল্লাহর ইবাদতের জন্য নির্মিত, তাকেও মসজিদ বলা হয়। সাধারণত কুরআন ও সুন্নাহে যখন ‘মসজিদ’ শব্দটি কোনো শর্ত ছাড়াই ব্যবহৃত হয়, তখন এটি সেই নির্দিষ্ট স্থাপনাকে বোঝায়। রাসূলুল্লাহ ﷺ পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতের সাথে আদায় করার জন্য এমনই মসজিদে উপস্থিত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মসজিদ সংক্রান্ত বিশেষ বিধানও এই ধরনের মসজিদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
গৃহের ‘মুসল্লা’তে যদি স্বামী-স্ত্রী রাত কাটায়, তবে এতে কোনো আপত্তি নেই। আল্লাহর জমিনকে মসজিদ বলা যেতে পারে, তবে এর বিধান মসজিদের বিধান নয়।
ই‘তিকাফের স্থান নির্ধারণ:
এখন দেখার বিষয় হলো, ই‘তিকাফের বিধান কি কেবল নির্দিষ্ট মসজিদের জন্য, নাকি গৃহের মুসাল্লা বা পৃথিবীর যে কোনো অংশেই ই‘তিকাফ করা যেতে পারে?
রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজের মসজিদেই ই‘তিকাফ করেছেন। তিনি গৃহে ই‘তিকাফ করেছেন বলে কোনো বর্ণনা নেই, এবং এমন কোনো হাদিসও নেই যেখানে তিনি মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও ই‘তিকাফের অনুমতি দিয়েছেন। সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈন ও তাবে-তাবেঈন থেকেও গৃহে ই‘তিকাফের বৈধতা সংক্রান্ত কোনো বর্ণনা পাওয়া যায় না।
সালাফদের বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, তারা ই‘তিকাফের শর্ত আরও কঠোর মনে করতেন। ‘আতা ইবন আবি রাবাহের মতে, কেবল মসজিদুল হারামেই ই‘তিকাফ বৈধ। সাঈদ ইবন মুসাইয়্যাবের মতে, কেবল মসজিদে নববীতে ই‘তিকাফ করা যায়। হুযাইফা ইবনুল ইয়ামান (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিন মসজিদ (মসজিদুল হারাম, মসজিদে নববী ও মসজিদুল আকসা) ব্যতীত অন্য কোথাও ই‘তিকাফ বৈধ নয়। অধিকাংশ ফকিহদের অভিমত হলো, ই‘তিকাফের জন্য এমন মসজিদ হওয়া জরুরি, যেখানে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায় হয়। কিছু বিদ্বান এ শর্তও যুক্ত করেছেন যে, সেই মসজিদে জুমার সালাতও হতে হবে।
উপসংহার:
সংক্ষেপে বলা যায়, ই‘তিকাফ কেবল নির্দিষ্ট মসজিদে বৈধ, যেখানে পাঁচ ওয়াক্ত সালাত জামাতে আদায় হয়। গৃহে ই‘তিকাফ করার কোনো প্রমাণ নেই।
নারীরা কি সাধারণ নির্দেশ থেকে পৃথক?
এই সাধারণ নির্দেশ থেকে নারীদের পৃথক হওয়ার কোনো প্রমাণ নেই—না কুরআনে, না সুন্নাহে। যদি নারীদের জন্য আলাদা কোনো প্রমাণ না-ও থাকত, তবুও তাদের ই‘তিকাফ ঠিক পুরুষদের মতোই মসজিদে হতো। তবে আমাদের কাছে এর স্বাধীন প্রমাণও রয়েছে যে, নারীদের ই‘তিকাফ মসজিদেই হবে, ঘরের মুসাল্লায় নয়।
প্রথমত, এটি মনে রাখা দরকার যে, আরবি ভাষায় “মুয়ান্নাস” (স্ত্রীলিঙ্গ) শব্দ থাকা সত্ত্বেও “মুজাক্কার” (পুংলিঙ্গ) শব্দ পুরুষদের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং কখনো কখনো উভয় লিঙ্গের জন্যও সাধারণভাবে ব্যবহৃত হয়। যদি কোনো বাক্যে নারীদের উদ্দেশ্য করে কথা বলা হয়, আর সেখানে মাত্র একজন পুরুষও উপস্থিত থাকে, তাহলে সেই বাক্যের ক্রিয়া এবং সর্বনাম পুংলিঙ্গেই হবে। কুরআনে যত বিধান রয়েছে, সেগুলো সাধারণত পুংলিঙ্গে এসেছে, কিন্তু এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, সেই বিধানগুলোর মধ্যে নারীরাও অন্তর্ভুক্ত।
উপরোক্ত আয়াত “وَلَا تُبَاشِرُوهُنَّ وَأَنْتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ” (অর্থ: “যখন তোমরা মসজিদে ই‘তিকাফরত থাকবে, তখন তোমাদের স্ত্রীদের সাথে দৈহিক সম্পর্ক স্থাপন কোরো না।” – সূরা আল-বাকারা: ১৮৭)–এর বিধানেও নারীরা অন্তর্ভুক্ত হবেন।
আ
এই আয়াতের আগের অংশে রোজার বিধান এবং রোজার যাবতীয় নির্দেশনাগুলো পুংলিঙ্গে এসেছে। অথচ আমরা সবাই জানি যে, সেসব বিধান কেবল পুরুষদের জন্য নির্দিষ্ট নয়, বরং সেখানে নারী-পুরুষ উভয়ই সমানভাবে শরিক। বরং এই আয়াতে এমন স্পষ্ট ইঙ্গিতও রয়েছে যে, নারীরাও ই‘তিকাফে অংশ নেন। কারণ, ই‘তিকাফরত পুরুষ বাড়ি গিয়ে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক স্থাপন করেন না, এতে ই‘তিকাফ বাতিল হয়ে যায়। আবার, এটি খুব কমই সম্ভব যে, কোনো ব্যক্তি ই‘তিকাফরত অবস্থায় স্ত্রীকে মসজিদে ডেকে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করবে।
এখানে সুস্পষ্ট অর্থ হলো—পুরুষ এবং নারী উভয়ই ই‘তিকাফরত থাকেন এবং তাদেরকে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে নিষেধ করা হয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞার কারণ হলো—এর আগে বলা হয়েছে যে, রোজার রাতে স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে থাকতে পারেন। স্বাভাবিকভাবেই এই বিধান থেকে ই‘তিকাফরত ব্যক্তিরাও উপকৃত হতে পারতেন। এজন্যই বিশেষভাবে এ নিষেধাজ্ঞা এসেছে।
এই আয়াত থেকেই সাহাবী বা তাবি‘ই জাবির (রহ.) দলিল এনেছেন যে, নারীর ই‘তিকাফ মসজিদেই হতে হবে:
عن جابر، أنه سئل عن امرأة جعلت عليها أن تعتكف في مسجد بيتها؟ قَالَ: لا يصلح، لتعتكف فِي المسجد؛ كما قال الله: وَأَنْتُمْ عَاكِفُونَ فِي الْمَسَاجِدِ۔
অর্থ:
জাবির (রহ.)-কে এক নারীর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো, যিনি নিজের ওপর ওয়াজিব করেছেন যে, তিনি তার বাড়ির মসজিদে (নামাজের স্থান) ই‘তিকাফ করবেন। তিনি উত্তরে বললেন: “এটি বৈধ নয়, সে যেন মসজিদেই ই‘তিকাফ করে, যেমন আল্লাহ বলেছেন: ‘যখন তোমরা মসজিদে ই‘তিকাফরত থাকো…'”
দ্বিতীয় আয়াত এইভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
“وَطَهِّرْ بَيْتِيَ لِلطَّائِفِينَ وَالْعَاكِفِينَ وَالرُّكَّعِ السُّجُودِ”
(অর্থ: “আমার ঘরকে তওয়াফকারীদের, ই‘তিকাফকারীদের এবং রুকু ও সেজদাকারীদের জন্য পবিত্র রাখো।” – সূরা আল-বাকারা: ১২৫)
এই আয়াতে ই‘তিকাফের পাশাপাশি তওয়াফ, রুকু ও সেজদার কথাও এসেছে। যখন তওয়াফ, রুকু ও সেজদা থেকে নারীরা পৃথক করা হয়নি, তাহলে ই‘তিকাফ থেকেও কেন তারা পৃথক হবে? অথচ এগুলো একই প্রসঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়াও, জানা যায় যে, উম্মুল মুমিনীনগণ মসজিদে ই‘তিকাফ করতেন। সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিমে হজরত আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে যে, উম্মুল মুমিনীনগণ মসজিদে নববীতে ই‘তিকাফের জন্য নিজেদের তাঁবু স্থাপন করেছিলেন। এছাড়াও, হজরত আয়িশা (রাঃ) থেকে আরও বর্ণিত হয়েছে যে, উম্মুল মুমিনীনগণ পরবর্তীতেও ই‘তিকাফ করেছেন।
একটি হাদিসে এসেছে যে, উম্মুল মুমিনীনদের একজন মাসিক ব্যতিরিক্ত রক্তস্রাব (ইস্তিহাজা) থাকা অবস্থায় মসজিদে ই‘তিকাফ করেছেন।
উম্মুল মুমিনীনদের জন্য পর্দার বিধান কঠোরতর ছিল। যখন তাদের জন্য মসজিদে ই‘তিকাফ করা বৈধ ছিল, তখন অন্যান্য নারীদের জন্য তো তা আরও সহজ হওয়া উচিত।
ইমাম আবু দাউদ প্রমুখ হজরত আয়িশা (রাঃ)-এর বক্তব্য বর্ণনা করেছেন:
“لاَ اعْتِكَافَ إِلَّا فِي مَسْجِدِ جَمَاعَةٍ/جُمُعَةٍ”
(অর্থ: “মসজিদ ছাড়া অন্য কোথাও ই‘তিকাফ বৈধ নয়।”)
ইমাম বুখারি এই হাদিসের ওপর “নারীদের ই‘তিকাফ” নামে একটি অধ্যায় সংযোজন করেছেন, অর্থাৎ এই হাদিস সকল নারীর জন্য সাধারণ বিধান।
ইমাম নববী (রহ.) বলেন:
“لا يَصِحُّ الاعْتِكَافُ مِنْ الرَّجُلِ وَلا مِنْ الْمَرْأَةِ إِلَّا فِي الْمَسْجِدِ، وَلا يَصِحُّ فِي مَسْجِدِ بَيْتِ الْمَرْأَةِ وَلا مَسْجِدِ بَيْتِ الرَّجُلِ وَهُوَ الْمُعْتَزَلُ الْمُهَيَّأُ لِلصَّلاةِ”
(المجموع ৬/৫০৫)
অর্থ: “পুরুষ ও নারীর ই‘তিকাফ শুধুমাত্র মসজিদেই বৈধ; নারীর ঘরের মুসাল্লায় বা পুরুষের ঘরের মুসাল্লায় তা বৈধ নয়।”
এটাই মালিকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি মাজহাবের মত।
হজরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) ঘরের মুসাল্লায় ই‘তিকাফকে বিদআত বলে উল্লেখ করেছেন:
“إن أبغض الأمور إلى الله تعالى البدع، وإنّ من البدع الاعتكاف في المساجد التي في الدور”
(অর্থ: “আল্লাহর নিকট সবচেয়ে অপছন্দনীয় বিষয় হলো বিদআত। আর বিদআতের মধ্যে অন্যতম হলো ঘরের মসজিদে ই‘তিকাফ করা।”)
ই‘তিকাফ তো একটি নির্দিষ্ট ইবাদত। নারীদের মসজিদে রাতযাপন করাও প্রমাণিত।
সহিহ বুখারিতে একটি অধ্যায় আছে:
“باب نوم المرأة في المسجد”
(অর্থ: “নারীর মসজিদে রাত্রিযাপন”)
এতে এক নারীর ঘটনা বর্ণিত হয়েছে, যিনি মসজিদে নববীতে তাঁবু স্থাপন করে থাকতেন। একই সময়ে মসজিদের এক পাশে আসহাবে সুফফাও অবস্থান করতেন। তখন মসজিদের আয়তনও ছিল খুব ছোট।
সারসংক্ষেপ:
মসজিদে নারীদের জন্য ই‘তিকাফেরও স্থান নির্ধারণ করা উচিত। কুরআন থেকে জানা যায় যে, হজরত মরিয়ম (আঃ) নারীদের নির্ধারিত স্থানে ই‘তিকাফরত ছিলেন। সুতরাং যে নারীরা ই‘তিকাফ করতে চান, তারা এই বিশেষ নির্ধারিত স্থানে ই‘তিকাফ করুন।
আল্লাহ আমাদের সুন্নাহ অনুযায়ী আমল করার তৌফিক দিন এবং বিদআত থেকে রক্ষা করুন।
————————
# মাসআলাহ
মূল : ড. আকরাম নদভী, অক্সফোর্ড, ইউকে।
অনুবাদ যাচাই ও সম্পাদনা : মাওলানা মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ।