এর দরবারে বংশ, দল কিংবা মাজহাবের প্রভাব নেই; টিকে থাকে শুধু সেটাই, যা মানবজীবনে সত্যিকারের সংযোজন আনে—নতুন কোনো অন্তর্দৃষ্টি, প্রকৃত কোনো উজ্বলন, ভবিষ্যৎ পথযাত্রীদের জন্য জ্বলে থাকা প্রদীপ। তাই কোনো চিন্তকের একটি মাত্র গ্রন্থই টেকসই হয়ে ওঠে শত উপদেশ, হাজার স্লোগানের তুলনায়।
ইবন সিনার জীবন উজ্জ্বল সওয়াল—বৌদ্ধিক মহত্ত্বের মাপকাঠি সাময়িক বিরোধিতা নয়, বরং পরবর্তী প্রজন্মের অবিচল আস্থা। কোনো চিন্তক ভুল করলে পণ্ডিতরা সমালোচনা করবেন, তর্ক-প্রতিতর্কে জবাব দেবেন—এটাই তো বৌদ্ধিক ঐতিহ্যের সৌন্দর্য। কিন্তু তিনি যদি জ্ঞানের ভাণ্ডারে এমন কিছু যোগ করেন, যা মানবতা অব্যাহতভাবে আহরণ করে, তবে ইতিহাস তাঁর নাম মুছে ফেলে না।
সুতরাং তাশখন্দের এ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বসে মনে হয়, ইতিহাস নিজেই শতাব্দীর দূর থেকে সাক্ষ্য দিচ্ছে—কারও প্রকৃত উত্তরাধিকার স্লোগানে নয়, চিন্তায়; কণ্ঠে নয়, জ্ঞানে; ক্ষণিক বিজয়ে নয়, সেই আলোয়, যা বহুকাল পরে-ও অন্যদের পথ আলোকিত করে।
———-
ক্যাটাগরি : ভ্রমণ, ইতিহাস, শিক্ষা, ইসলামি চিন্তাধারা
✍ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।
✍ অনুবাদ AI, সম্পাদনা, মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ।
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/9664