মানবিক পূর্ণতা নামাজেই নিহিত। সব গুণাবলি ও শ্রেষ্ঠত্ব নামাজেই নির্ভরশীল। ত্যাগ ও নির্লিপ্ততা, জাহান্নাম থেকে মুক্তি, ধৈর্য ও সহনশীলতা, দয়া ও দানশীলতা, নিঃস্বার্থতা ও বিনয়, সাহস ও বীরত্ব—সবই এ বরকতময় বৃক্ষের শাখাপ্রশাখা। নামাজের ফলফলই আখেরাতের সান্নিধ্যের মূল সম্পদ।
যে স্থান নামাজে মুখরিত হয়, তা আকাশের হিংসার কারণ হয়ে ওঠে, বরং জান্নাতের বাগিচারই প্রতিচ্ছবি হয়ে যায়।
সেজদার প্রেমে মগ্ন হয়ে আমি এক দরবার খুঁজে পেয়েছি,
যেন একটুখানি জমিনকে আকাশের সমান মর্যাদা দেওয়া হলো।
খাতা-কলমের অসংখ্য দফতর কালো হয়ে যাক,
তবুও নামাজের গুণগান কখনো পূর্ণ হতে পারবে না।
আমরা কে? আমাদের আসলেই কী গুরুত্ব?
যদি সব নবী, তাঁদের সাহাবিগণ, সব সিদ্দীক ও সালেহীন,
এমনকি সকল ফেরেশতা, যারা আরশের কাছাকাছি,
মিলেও নামাজের ফজিলত বর্ণনা করেন,
তবুও নামাজ এর চেয়ে অনেক বেশি মহান ও উচ্চমর্যাদারই থেকে যাবে।
“মজলিস শেষ হয়ে গেল, জীবনও শেষপ্রায়,
কিন্তু আমরা এখনো তোমার বর্ণনার শুরুতেই রয়ে গেছি।”
——————–
ক্যাটাগরি : নামাজ, তাজকিয়াহ, ইসলামি চিন্তাধারা।
—
✍️ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড
✍️ অনুবাদ, যাচাই ও সম্পাদনা: মাওলানা মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ।
—
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/7088