শিরোনাম : মুসলমানদের শাফাআতের প্রসঙ্গ।
——————–
প্রশ্ন:
আমাদের প্রজ্ঞাবান, দূরদর্শী এবং রুচিশীল ছাত্র ও বন্ধু জনাব আলী রাসূল, যিনি বর্তমানে আমেরিকায় অবস্থান করছেন, তিনি নিম্নলিখিত প্রশ্ন করেছেন:
আসসালামু আলাইকুম,
সম্মানিত উস্তাদ, একটি প্রশ্ন আছে যার কোনো সন্তোষজনক উত্তর আমি এখনো পাইনি। আমার পদ্ধতি হলো, আমি আগে নিজেই উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা করি, যদি না পাই তবে আলেমদের কাছে رجوع (প্রত্যাবর্তন)করি। প্রশ্ন হলো—কিছু আলেম বলেন, যেহেতু আমরা মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মত, তাই যদি দোজখেও যাই, কিছু সময় পরে আমাদের শাফাআত হবে এবং আমরা জান্নাতে প্রবেশ করব। কিন্তু আমার কাছে বিষয়টি স্পষ্ট কুরআনের বিরুদ্ধে মনে হয়। কারণ কুরআনে বলা হয়েছে—ইহুদিরা ধারণা করত, যেহেতু তারা ইহুদি, তাই তাদের শাস্তি কয়েকদিনের মধ্যেই শেষ হয়ে যাবে এবং তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে। অথচ এটা কখনোই সত্য নয়।
আপনি যেহেতু সফরে আছেন, তাই আমার কোনো তাড়া নেই। সময় হলে দয়া করে এ বিষয়ে আমাকে একটু দিকনির্দেশনা দিবেন।
উত্তর:
আপনি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন করেছেন। এতে কোনো সন্দেহ নেই যে, আমরাও মুসলমানরা ইহুদিদের মতো জাতীয় অহংকারে ভুগে থাকি। কোনো বংশ, জাতি বা সম্পর্কের ভিত্তিতে শ্রেষ্ঠত্ব দাবি করা কুরআন-সুন্নাহর শিক্ষার একেবারেই বিরোধী। এ বিষয়টি বিস্তারিতভাবে অন্য কোনো সময়ে আলোচনা করব, তবে যেহেতু জাতীয় অহংকারের সঙ্গে শাফাআতের ধারণার গভীর সম্পর্ক রয়েছে, তাই আপাতত আমি শাফাআতের ব্যাখ্যা তুলে ধরছি। আশা করি, এ ব্যাখ্যা অনেক প্রশ্নের জট খুলে দেবে।
শাফাআতের ভাষাগত ও ইসতেলাহী অর্থ:
শাফাআতের আক্ষরিক অর্থ হলো কোনো কিছুকে আরেকটি অনুরূপ কিছুর সঙ্গে মিলিয়ে দেওয়া, তাই জোড় সংখ্যাকে আরবিতে বলা হয় شفع। কুরআনে আছে—“والشفع والوتر” (জোড় ও বেজোড়ের কসম)।
মূল শব্দার্থ আজও বিদ্যমান, যদিও এতে প্রসার ঘটেছে। শাফাআতের একটি অর্থ সুপারিশও বটে। কারণ সুপারিশে কারও বক্তব্য বা আবেদনের সঙ্গে অন্য কারও কথা মিলিয়ে তাকে সমর্থন করা হয়। একইভাবে শাফাআতের অর্থ দোয়া করাও এসেছে।
শাফাআত শব্দটি সুপারিশের অর্থে এতটাই সাধারণ হয়ে ওঠে যে, পরবর্তী যুগগুলোতে এটি প্রায় কেবল ওই অর্থেই ব্যবহৃত হতে থাকে এবং সেটিই প্রধান অর্থ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুপারিশের মানে হলো—যেমন কোনো বাদশাহ যদি কোনো প্রাপ্য মানুষকে অবহেলা করেন, তবে বাদশাহর কোনো মন্ত্রী বা ঘনিষ্ঠজন মনে করিয়ে দেয় যে, অমুকও পুরস্কারের যোগ্য। আবার কোনো ঘনিষ্ঠজন নিজের অবস্থান কাজে লাগিয়ে কোনো অযোগ্য মানুষকেও যোগ্যদের তালিকায় ঢুকিয়ে ফেলে। এ কারণেই সাধারণ মানুষ সবসময় ক্ষমতাবানদের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনকে গুরুত্ব দেয়, যাতে বৈধ-অবৈধ বিভিন্ন কাজের সুবিধা নেওয়া যায়।
এটার মূল কারণ হলো—সাধারণ মানুষের সরাসরি বাদশাহর কাছে পৌঁছানো সম্ভব নয়, আর বাদশাহও প্রত্যেকের অবস্থা সরাসরি জানেন না।
কিন্তু আল্লাহ তা’আলা যাদের জন্য অনুগ্রহ নির্ধারণ করেছেন, তাদের গুণাবলি স্পষ্টভাবে কুরআনে বর্ণনা করেছেন—তা হলো ঈমান ও সৎকর্ম। যে ঈমান ও সৎকর্মে সজ্জিত হবে, সে-ই আল্লাহর অনুগ্রহের যোগ্য। তার জন্য কোনো সুপারিশের প্রয়োজন নেই। কারণ আল্লাহর কাছ থেকে কিছুই আড়াল নেই। যে অযোগ্য, তাকেও আল্লাহ ভালোভাবেই জানেন। তাই কারও বলার কারণে কোনো অযোগ্য যোগ্য হয়ে উঠতে পারে না।
যারা আল্লাহর নাম ও গুণাবলি সম্পর্কে অবগত, তাদের দৃষ্টিতে আল্লাহর দরবারে এই ধরনের সুপারিশের আশা করা অর্থহীন, বরং অজ্ঞতা। এমন সুপারিশের বিশ্বাস সরাসরি তাওহিদের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। এজন্যই কুরআনে বারবার সুস্পষ্টভাবে এই ধরনের শাফাআতের ধারণা অস্বীকার করা হয়েছে এবং কোনো সুযোগ নেই বলে কঠোরভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে—
(আয়াতের অংশ) – “لا يقبل منها شفاعة”
অর্থ – আর কারো পক্ষ থেকে কোন সুপারিশ গ্রহণ করা হবে না
(সূরা আল-বাকারা ৪৮)
( আয়াতের অংশ)- “ولا تنفعها شفاعة”
অর্থ- আর কোন সুপারিশ তার উপকারে আসবে না।
(সূরা আল-বাকারা ১২৩)
(আয়াতের অংশ)- “ولا شفاعة”
অর্থ -(যেদিন থাকবে না) কোনো সুপারিশ।
(সূরা আল-বাকারা ২৫৪)
(আয়াতের অংশ)- “فما تنفعهم شفاعة الشافعين”
অর্থ- অতএব সুপারিশকারীদের সুপারিশ তাদের কোন উপকার করবে না।
(সূরা আল-মুদ্দাসসির ৪৮)
কুরআন ও হাদিসে শাফাআতের প্রমাণ :
একই সঙ্গে কুরআন ও হাদিস থেকে এটাও জানা যায় যে, কিয়ামতের দিন শাফাআত হবে। প্রশ্ন হলো—এই শাফাআতের প্রকৃত অর্থ কী? বিষয়টি বোঝার জন্য দুটি উদাহরণ মনে রাখা দরকার।
প্রথম উদাহরণ:
যখন কোনো বাদশাহ পুরস্কার ও অনুগ্রহ দেওয়ার জন্য জনসভায় আসেন, তখন তার আগেই নির্দিষ্ট কোনো ঘনিষ্ঠজন এসে বাদশাহর আগমনের সংবাদ দেন। সেই সংবাদ শুনেই শিষ্টাচারের সঙ্গে দরবারের কার্যক্রম শুরু হয়ে যায়। এরপর ঠিক পুরস্কার বিতরণের মুহূর্তে বাদশাহ স্বয়ং এসে দান-অনুদান দেন।
এখানে কেউ বলবে না যে, বাদশাহ ওই ঘনিষ্ঠজনের সংবাদ দেওয়ার কারণে এসেছেন। সবাই জানে যে, বাদশাহর আগমন ও পুরস্কার বিতরণ তার নিজের সিদ্ধান্ত। তিনি কেবল সম্মানের নিদর্শন হিসেবে সেই ঘনিষ্ঠজনকে কার্যক্রম শুরুর প্রতীক বানিয়েছেন।
দ্বিতীয় উদাহরণ:
ধরা যাক, কোনো কলেজে প্রতিযোগিতা হলো এবং কিছু ছাত্র পুরস্কার জিতে নিল। পুরস্কার বিতরণের দিনে কলেজ প্রশাসন কিছু সম্মানিত ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাল, যেন তাঁদের হাত দিয়ে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। কিন্তু এঁরা ঠিক করেন না, কারা পুরস্কার পাবে। তাঁদের হাত দিয়ে পুরস্কার বিতরণের উদ্দেশ্য কেবল তাঁদের সম্মান দেওয়া এবং বিজয়ী ছাত্রদের উৎসাহিত করা।
কিয়ামতের দিন মানুষ কঠিন উৎকণ্ঠায় থাকবে—কবে হিসাব শুরু হবে। এজন্য তারা একে একে বিভিন্ন নবীর কাছে যাবে, কিন্তু কারও সাহস হবে না আল্লাহর কাছে আবেদন করার যে, হিসাব শুরু হোক। শেষ পর্যন্ত তারা নবী করীম ﷺ-এর কাছে আসবে এবং অনুরোধ করবে। তখন তিনি বলবেন: “أنا لها، أنا لها”—“আমি আছি এর জন্য, আমি আছি এর জন্য।” এরপর তিনি আল্লাহর আরশের সামনে সিজদায় লুটিয়ে পড়বেন, অবশেষে এমন সময় আসবে যখন আল্লাহ বলবেন: “হে মুহাম্মদ! মাথা তোলো, চাইলে তোমাকে দেওয়া হবে, সুপারিশ করলে তা কবুল হবে।” তখন আপনার সুপারিশে হিসাব শুরু হবে।
প্রথম উদাহরণ আসলে এই শাফাআতেরই ব্যাখ্যা। একে বলা হয় শাফাআতে কুবরা (মহা শাফাআত)। এটি নবী করীম ﷺ-এর জন্য সকলের সামনে এক বিশাল মর্যাদা ও সম্মানের নিদর্শন। কুরআনে একে বলা হয়েছে “মাকাম মাহমুদ”।
কিয়ামতের দিন যাদের সৎকর্ম বেশি হবে, তারা সরাসরি জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর গুনাহগার মুসলমানরা তাদের গুনাহের পরিমাণ অনুযায়ী কিছু সময় জাহান্নামে শাস্তি ভোগ করবে। তারপর আল্লাহ তাআলা বিভিন্ন সময়ে তাঁদের জাহান্নাম থেকে বের করবেন। সে সময় আল্লাহর হুকুমে ফেরেশতারা, নবীগণ এবং সাধারণ সৎকর্মশীল ব্যক্তিরা সুপারিশ করবেন। তাঁদেরকে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য জানিয়ে দেওয়া হবে, যার দ্বারা তারা চিনে নেবে, কাদের জন্য সুপারিশ করতে হবে।
এই সুপারিশ আসলে সুপারিশকারীদের জন্য সম্মানের বিষয়। আর যাদের জন্য সুপারিশ হবে, তাদের মনেও ভরসা জন্মাবে—অমুক ফেরেশতা, অমুক নবী বা অমুক সৎ ব্যক্তি তাঁর সুপারিশে আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করেছে।
উপরের দ্বিতীয় উদাহরণটি এই শাফাআতের ব্যাখ্যার জন্যই দেওয়া হয়েছে। তবে খেয়াল রাখতে হবে—সুপারিশকারীরা নিজেরা ঠিক করবেন না, কাদের জন্য সুপারিশ করবেন। এটা সম্পূর্ণ আল্লাহর সিদ্ধান্ত হবে। এজন্যই কুরআনে সুপারিশের অস্বীকৃতির সঙ্গে এ শর্তও এসেছে—“إلا من أذن له” (সূরা ত্বাহা: ১০৯)—“তবে যাঁর অনুমতি দেওয়া হবে, তিনি ছাড়া কেউ সুপারিশ করতে পারবেন না।” একে বলা হয় শাফাআতে সুগরা (ছোট শাফাআত)।
গুনাহগার কোনো মুসলমান যদি বেশি বেশি দরূদ পড়ে, আযানের পরের দোয়ার প্রতি যত্নবান হয়, আর সে যদি জাহান্নামে যায়, তবে সম্ভাবনা প্রবল যে, সে নবী করীম ﷺ-এর শাফাআত পাবে।
শাফাআতের জন্য দোয়া :
শাফাআতে কুবরার জন্য দোয়া করা সুন্নত। মুসলমানদের উচিত দোয়া করা—“হে আল্লাহ! নবী করীম ﷺ-কে মাকাম মাহমুদ দান করো।” সহীহ বুখারীসহ অন্যান্য হাদিসে আযানের দোয়ার মধ্যে এই বাক্যটি এসেছে—“وابعثه مقاما محمودا الذي وعدته”—“তাঁকে সেই মাকাম মাহমুদ দান করো, যা আপনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।”
নিশ্চয়ই আল্লাহর অনুগ্রহে সেই মাকাম তাঁকে দেওয়া হবেই, আমাদের দোয়ায় নয়। তবে আমাদের দোয়ার সুফল হবে—এর মাধ্যমে আমাদের জন্য সুপারিশের উপলক্ষ তৈরি হবে এবং আমাদের মর্যাদাও বৃদ্ধি পাবে।
প্রশ্ন হলো—শাফাআতে সুগরার জন্য দোয়া করার হুকুম কী?
এ ব্যাপারে দুটি দিক আছে—
এভাবে দোয়া করা যে, “হে আল্লাহ! অমুক শহীদ বা সৎ ব্যক্তিকে সুপারিশকারী বানাও”—এতে কোনো দোষ নেই। কারণ শাফাআত জান্নাতিদের জন্য একটি সম্মানের বিষয়, আর আখিরাতের সম্মানের জন্য দোয়া করা কাম্য।
কিন্তু এভাবে দোয়া করা—“হে আল্লাহ! অমুককে কিয়ামতের দিন আমার সুপারিশকারী বানাও”—এটা অনুচিত। কারণ এর অর্থ দাঁড়ায়—“হে আল্লাহ! আমাকে জাহান্নামে ঢোকাও, তারপর অমুকের সুপারিশে আমাকে বের করো।” অথচ মুসলমানের উচিত আল্লাহর কাছে সবসময় ক্ষমা ও রহমতের দোয়া করা এবং আশা রাখা যে, আল্লাহ প্রথমেই তাঁকে জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবেন। কারণ জাহান্নামের একটি মুহূর্ত এতটাই যন্ত্রণাদায়ক যে, তার কল্পনাও সম্ভব নয়। তাই এমন কোনো দোয়া এড়িয়ে চলা উচিত, যাতে জাহান্নামে প্রবেশের কোনো আভাস থাকে।
বিতর্কিত একটি হাদিস :
কিছু বর্ণনায় এসেছে যে, নবী করীম ﷺ এক অন্ধ ব্যক্তির দোয়ার সময় বলেছিলেন: “اللهم شفعه في وشفعني فيه”—“হে আল্লাহ! তার ব্যাপারে আমার সুপারিশ কবুল করো এবং আমার ব্যাপারে তার সুপারিশ কবুল করো।”
এ বর্ণনাটি বিতর্কিত (متكلم فيها)। কেউ কেউ এটিকে সহীহ বা গ্রহণযোগ্য প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। যদি ধরা হয়, এটি সহীহ, তবুও এখানে শাফাআত শব্দের অর্থ সুপারিশ নয়, বরং দোয়া। অর্থাৎ—“হে আল্লাহ! আমার ব্যাপারে তার দোয়া কবুল করো এবং তার ব্যাপারে আমার দোয়া কবুল করো।”
এখানে প্রচলিত অর্থে সুপারিশ বোঝানো সম্ভব নয়। কারণ নবী করীম ﷺ তো জান্নাতিদের নেতা, তাঁর কারও সুপারিশের কোনো প্রয়োজন নেই। তবে নবীর জন্য দোয়া অবশ্যই প্রমাণিত। যেমন, নবী করীম ﷺ হযরত উমর (রা.)-এর কাছে নিজের জন্য দোয়া করার অনুরোধ করেছিলেন।
এভাবেই শিশুদের জানাজার দোয়ার মধ্যে “شافعا مشفعا” ইত্যাদি বাক্য সাধারণত পড়া হয়। তবে সঠিক কথা হলো—এগুলোর কোনো কিছুই নবী করীম ﷺ থেকে প্রমাণিত নয়। যদিও এ দোয়া কিছু সালাফ থেকে বর্ণিত হয়েছে।
এর অর্থ হলো ধৈর্যের মাধ্যমে সুপারিশ। অর্থাৎ, যখন কোনো শিশু মারা যায়, তখন তার কারণে বাবা-মা প্রভৃতি স্বজনেরা গভীর দুঃখে পড়ে। যদি তারা ধৈর্য ধরে, তবে সম্ভবত সেই ধৈর্যের বরকতে তারা জাহান্নামে যাওয়া থেকে রক্ষা পাবে।
কিছু হাদিসে এসেছে, এই ধৈর্যের ফলস্বরূপ সেই শিশুরা কিয়ামতের দিন তাদের বাবা-মায়ের জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তির সুপারিশ করবে। আর সেই সুপারিশের মাধ্যমে বাবা-মা জাহান্নাম থেকে নিরাপদ হয়ে যাবে। এটি আসলে ধৈর্যের মতো এক মহান আমলের প্রতিদান।
এখানেও শাফাআত শব্দটি এর মূল ভাষাগত অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
——————–
ক্যাটাগরি : ফিকাহ, হাদিস,
—
✍️ মূল রচনা: ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড
✍️ অনুবাদ, যাচাই ও সম্পাদনা: মাওলানা মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ
—
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/7058