|২২|০২|২০২৬|
❖ প্রশ্ন:
অস্ট্রেলিয়া থেকে সম্মানিতা ডা. আমশা নাহিদ সাহেবা নিম্নোক্ত প্রশ্ন পাঠিয়েছেন:
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ, সম্মানিত শাইখ।
একজন বোন প্রশ্ন করেছেন। তিনি জানতে চান, আপনি কি তাদাব্বুর ও তাফসিরের পার্থক্য স্পষ্ট করে কোনো প্রবন্ধ লিখেছেন? অথবা এ বিষয়ে একটি ব্যাখ্যামূলক লেখা লিখলে উপকৃত হতাম ?
তার প্রশ্নগুলো হলো:
তাদাব্বুর ও তাফসিরের মধ্যে মূল ও সুস্পষ্ট পার্থক্য কী?
এ দুটি কি একসঙ্গে করা উচিত, নাকি একটির পর অন্যটি?
একজন ছাত্রী কি প্রথমে তাফসির দিয়ে শুরু করবে, নাকি অনুবাদ ও তাদাব্বুর দিয়ে?
এ প্রসঙ্গে ছাত্রীদের এবং সাধারণ মুসলমানদের জন্য সঠিক ও নিরাপদ পদ্ধতি কী?
আমি উপযুক্ত মনে করেছি প্রশ্নটি সরাসরি আপনার খেদমতে পেশ করতে, যাতে আপনি এ বিষয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
❖ উত্তর:
ওয়া আলাইকুমুস সালাম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতুহ।
কুরআনুল কারিমের বোধ ও অনুধাবন প্রসঙ্গে আলেমসমাজে যেসব পরিভাষা প্রচলিত রয়েছে, তার মধ্যে “তাফসির”, “তাওয়িল” ও “তাদাব্বুর” বিশেষ গুরুত্বের অধিকারী। যদিও আপনার মূল প্রশ্ন ছিল তাফসির ও তাদাব্বুর নিয়ে, তবুও উত্তরে “তাওয়িল” শব্দটির সংযোজন করা হয়েছে, কারণ বাস্তব ও একাডেমিক আলোচনায় এ পরিভাষাটি ওই দুটির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত; এবং সঠিক উপলব্ধির জন্য এর উল্লেখ অপরিহার্য।
বাহ্যত এ তিনটি শব্দই কুরআন ব্যাখ্যার সঙ্গে সম্পর্কিত। কিন্তু তাদের ভাষাগত উৎস, পরিভাষাগত বিকাশ, জ্ঞানতাত্ত্বিক পরিসর এবং দায়িত্বের প্রকৃতিতে রয়েছে সুস্পষ্ট পার্থক্য। এ পার্থক্য স্পষ্ট করা জরুরি, যাতে কুরআন বোঝার ক্ষেত্রে চিন্তার জড়তা সৃষ্টি না হয়, লাগামহীন তাওয়িলের দুয়ার না খুলে যায়, আর তাদাব্বুরের নামে ব্যক্তিগত মতামতকে আয়াতের উপর চাপিয়ে না দেওয়া হয়। বরং এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পদ্ধতি গ্রহণ করা যায়, যেখানে একসঙ্গে রক্ষিত থাকবে নসের মর্যাদা, সালাফের অনুধাবন এবং অন্তরের পরিশুদ্ধি।
“তাফসির” শব্দটি “ফাসর” ধাতু থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ প্রকাশ করা, উন্মোচন করা, স্পষ্ট করা। পরিভাষায় তাফসির হলো সেই বিদ্যা, যার মাধ্যমে কুরআনের শব্দ, বাক্যগঠন ও আয়াতের অর্থ সুস্পষ্ট করা হয় এবং নির্ধারণ করা হয়, কোন আয়াত দ্বারা আল্লাহ তা‘আলার অভিপ্রায় কী।
এ থেকে স্পষ্ট হয়, তাফসির কোনো অনুভূতিনির্ভর প্রভাব, অন্তর্গত আবেগ কিংবা ব্যক্তিগত ঝোঁকের নাম নয়। বরং এটি একটি সুসংহত, নীতিনিষ্ঠ ও দায়িত্বশীল জ্ঞানচর্চা, যা নির্ধারিত মূলনীতি ও গ্রহণযোগ্য উৎসের অনুসারী।
কুরআনের তাফসির করা হয় কুরআনের মাধ্যমেই, সুন্নাহর আলোকে, সাহাবা ও তাবেঈনের বাণী দ্বারা, আরবি ভাষার অভিধানিক বিশ্লেষণ, আসবাবে নুযুল, প্রেক্ষাপট, বাক্যসংগতি ও অন্যান্য নীতিগত বিধানের সাহায্যে।
এই দৃষ্টিকোণ থেকে তাফসিরের প্রধান উদ্দেশ্য হলো, নসের বাহ্যিক ও প্রত্যক্ষ অর্থ নির্ধারণ ও সংরক্ষণ করা। যেন আল্লাহর কালামকে মানুষের খেয়াল, বুদ্ধিবৃত্তিক প্রবণতা বা মতাদর্শিক কাঠামোর অধীনস্থ করা না হয়। সুতরাং তাফসির হলো মূলত আল্লাহর উদ্দেশ্যকে বৈজ্ঞানিকভাবে নির্ধারণ করা এবং তার সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
“তাওয়িল” শব্দটি “আওয়াল” মূল থেকে আগত, যার অর্থ ফিরে যাওয়া, প্রত্যাবর্তন করা, পরিণতিতে পৌঁছানো। ভাষাগত অর্থে তাওয়িল হলো, কোনো বক্তব্যকে সম্ভাব্য অর্থগুলোর মধ্যে একটির দিকে প্রত্যাবর্তন করানো, অথবা তার পরিণাম ও চূড়ান্ত তাৎপর্য নির্ধারণ করা।
প্রথম যুগের কিছু আলেম, যেমন আবু উবায়দা এবং তার সমমতাবলম্বীরা তাফসির ও তাওয়িলকে সমার্থক মনে করতেন। কিন্তু অন্যান্য আলেম এ মতের বিরোধিতা করেন এবং এ দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য সুস্পষ্ট করেন। এমনকি ইবনু হাবীব আন-নিসাবুরী অতিরঞ্জিত ভঙ্গিতে বলেছিলেন, আমাদের যুগে এমন মুফাসসির জন্ম নিয়েছেন, যাদের কাছে যদি তাফসির ও তাওয়িলের পার্থক্য জিজ্ঞেস করা হয়, তারা তা নির্ধারণ করতে সক্ষম হবেন না।
রাগিব ইসফাহানি এ দুইয়ের পার্থক্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, তাফসির তাওয়িলের তুলনায় অধিক বিস্তৃত। তার মতে, তাফসির সাধারণত শব্দের ব্যাখ্যা ও একক অর্থের বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। আর তাওয়িল অধিকতর সম্পৃক্ত অর্থের পরিণতি ও বাক্যের সামগ্রিক তাৎপর্যের সঙ্গে।
তাফসির কখনো কোনো একক শব্দের অর্থ উন্মোচনে ব্যবহৃত হয়—যেমন “বাহীরা” ও “সাইবা” শব্দদ্বয়ের ভাষাগত বিশ্লেষণ। কখনো তা কোনো বিধান বা নির্দেশনার ব্যাখ্যায় প্রতিফলিত হয়—যেমন “তোমরা সালাত কায়েম করো এবং যাকাত দাও”, এই আয়াতে নির্দেশের তাৎপর্য স্পষ্ট করা। আবার এমনও হয়, কিছু আয়াতের অর্থ তাদের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট বা বিশেষ পরিস্থিতি জানা ছাড়া পরিষ্কার হয় না—যেমন “মাসের অদলবদল তো কুফরিরই বৃদ্ধি” অথবা “তোমরা ঘরের পেছন দিক দিয়ে প্রবেশ করাই নেকি নয়।”
এভাবেই তাফসির কখনো শব্দের ব্যাখ্যা, কখনো বিধানের বিশ্লেষণ, আর কখনো প্রেক্ষাপটের আলোকে অর্থের উন্মোচন ঘটায়।
অন্যদিকে তাওয়িল কখনো সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়, কখনো বিশেষ অর্থে। আবার কোনো যৌথার্থক শব্দকে বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক ইঙ্গিতের ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট অর্থের দিকে ফিরিয়ে আনতেও তাওয়িল ব্যবহৃত হয়।
শায়খুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়া রহিমাহুল্লাহ তাওয়িল শব্দের ব্যবহারের বিশ্লেষণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন। তিনি দেখিয়েছেন, পরিভাষাগত বৈচিত্র্যের কারণে “তাওয়িল” শব্দটি ইতিহাসে তিন ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
প্রথম অর্থটি হলো, যা পরবর্তী যুগের উসূূলবিদ ও কালামশাস্ত্রবিদদের কাছে প্রসিদ্ধ হয়েছে। অর্থাৎ, কোনো শব্দকে তার প্রবল ও প্রকাশ্য সম্ভাব্য অর্থ থেকে সরিয়ে অপেক্ষাকৃত দুর্বল সম্ভাবনার দিকে ফেরানো, কোনো প্রমাণের ভিত্তিতে। আল্লাহ তাআলার সিফাতসমূহ নিয়ে যে বিতর্কগুলো গড়ে উঠেছিল, সেখানে এই অর্থই আলোচ্য বিষয় ছিল, নসের সিফাতসমূহের তাওয়িল করা হবে কি না, নাকি সেগুলোকে তাদের প্রকাশ্য অর্থেই রাখা হবে; আর যদি তাওয়িল করা হয়, তবে তা প্রশংসনীয় নাকি নিন্দনীয়?
দ্বিতীয় অর্থটি হলো, যা মূলত তাফসিরের সমার্থক; যেমনটি প্রাচীন মুফাসসিরদের ব্যবহারে দেখা যায়। ইবনু জারির আত-তাবারি যখন “উলামাউত-তাওয়িল”-এর কথা উল্লেখ করেন, তখন তার উদ্দেশ্য মুফাসসিররাই। তেমনি মুজাহিদ, যিনি তাফসিরের ইমামদের মধ্যে উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন—তার সম্পর্কে বলা হতো, “যদি তুমি মুজাহিদের কাছ থেকে তাওয়িল পেয়ে যাও, তবে তা তোমার জন্য যথেষ্ট।” এখানে তাওয়িল বলতে আয়াতের তাফসিরভিত্তিক অনুধাবনই বোঝানো হয়েছে।
তৃতীয় অর্থটি হলো, কোনো বক্তব্যের বহিঃপ্রকাশ, পরিণতি বা বাস্তব রূপায়ণের দিকে ইঙ্গিত করা। যেমন কুরআনের আয়াতে এসেছে: “তারা কি কেবল তার তাওয়িলের অপেক্ষা করছে, যেদিন তার তাওয়িল এসে যাবে।” অথবা হজরত ইউসুফ আলাইহিস সালামের উক্তি: “এটাই আমার পূর্বেকার স্বপ্নের তাওয়িল”—এখানে তাওয়িল দ্বারা উদ্দেশ্য স্বপ্নের বাস্তব ব্যাখ্যা এবং তার বাহ্যিক সংঘটন। এই অর্থে তাওয়িল হলো কোনো সংবাদ বা প্রতিশ্রুতির সেই পরিণতি, যা বাস্তবে কার্যকর হয়ে ওঠে।
এই বিশদ আলোচনায় স্পষ্ট হয়, তাওয়িলের অর্থ একরৈখিক বা সরল নয়; বরং ইতিহাস ও জ্ঞানচর্চার বিবর্তনের সঙ্গে এর প্রয়োগে এসেছে বৈচিত্র্য ও প্রসার। এ কারণেই তাওয়িলের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অসাধারণ সতর্কতা। যদি তাওয়িল শক্তিশালী প্রমাণ, গ্রহণযোগ্য নীতি এবং ভাষাগত ও প্রাসঙ্গিক ইঙ্গিতের আলোকে করা হয়, তবে তা ইজতিহাদি প্রচেষ্টা হিসেবে গ্রহণযোগ্য ও আলোচনাযোগ্য। কিন্তু যদি তা নসের প্রকাশ্য অর্থ ত্যাগ করে পূর্বনির্ধারিত মতাদর্শিক কাঠামোয় ঢালার উপায় হয়ে দাঁড়ায়, তবে তা হয়ে ওঠে অর্থবিকৃতি ও চিন্তাগত বিচ্যুতির মাধ্যম।
এই দুইয়ের বিপরীতে “তাদাব্বুর”-এর স্বরূপ স্বতন্ত্র। ভাষাগতভাবে তাদাব্বুর মানে কোনো কিছুর পরিণতি ও ফলাফল নিয়ে গভীর ও মনোযোগী চিন্তা করা। কুরআনে একাধিক স্থানে তাদাব্বুরের আহ্বান এসেছে: “তারা কি কুরআন নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করে না? নাকি তাদের অন্তরে তালা ঝুলছে?” এবং “এটি এক বরকতময় কিতাব, যা আমি অবতীর্ণ করেছি, যাতে তারা এর আয়াতসমূহে তাদাব্বুর করে এবং বুদ্ধিমানরা উপদেশ গ্রহণ করে।”
মাওলানা ফারাহীর ভাষায়, তাদাব্বুর মূলত হিদায়াত ও তাকওয়ার মাধ্যম। হিদায়াত মানুষের অন্তরে দৃষ্টি ও প্রজ্ঞা জাগ্রত করে, আর তাকওয়া তার অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে। ঈমানের জ্ঞানভিত্তিক দিকগুলো হিদায়াতের অন্তর্ভুক্ত, আর শরিয়ত, নৈতিকতা ও অন্তরগত অবস্থা তাকওয়ার পরিসরে পড়ে। এ অর্থে তাদাব্বুর হলো কুরআনের জ্ঞানকে আধ্যাত্মিক, নৈতিক ও বাস্তব প্রভাবে রূপান্তরের পথ।
কুরআনের ক্ষেত্রে তাদাব্বুর মানে, মানুষ গভীরভাবে আয়াতসমূহ নিয়ে চিন্তা করবে, প্রতিষ্ঠিত ও গ্রহণযোগ্য অর্থগুলো হৃদয়ে ধারণ করবে এবং সেগুলোর আলোকে নিজের ঈমান ও আমলকে সংশোধন করবে। তাদাব্বুরের ক্ষেত্র হলো না আল্লাহর উদ্দেশ্য নির্ধারণ করা; বরং নির্ধারিত উদ্দেশ্য থেকে হিদায়াত আহরণ করা।
যখন কোনো আয়াতের সঠিক অর্থ নির্ভরযোগ্য তাফসিরের মাধ্যমে জানা হয়ে যায়, তখন সেই অর্থ নিয়ে চিন্তা করা, নিজের অবস্থার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা এবং তার আলোকে নিজের চরিত্র ও আচরণের হিসাব নেওয়াই তাদাব্বুর।
তাদাব্বুর প্রত্যেক মুমিনের জন্য কাম্য এবং সওয়াবের কারণ। তবে শর্ত হলো, এটি যেন তাফসিরের সীমা লঙ্ঘন না করে। যদি তাদাব্বুরের নামে এমন অর্থ বের করা হয়, যা ভাষা, প্রেক্ষাপট বা সালাফের অনুধাবনের পরিপন্থী, তবে তা তাদাব্বুর নয় বরং ব্যক্তিগত মত ও প্রবৃত্তির সংমিশ্রণ। সঠিক তাদাব্বুর সেই, যা প্রতিষ্ঠিত অর্থের ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে এবং যার ফলাফল হিসেবে অন্তরে জন্ম নেয় আল্লাহভীতি, বিনয় এবং সৎকর্মের অঙ্গীকার।
এই তিন পরিভাষার পারস্পরিক সম্পর্ককে সমন্বিত দৃষ্টিতে দেখলে বলা যায়, তাফসির হলো কুরআনের অর্থ নির্ধারণ ও তার সংরক্ষণ; তাওয়িল হলো কোনো শব্দ বা বক্তব্যকে তার পরিণতি, অথবা গ্রহণযোগ্য ইঙ্গিতের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট অর্থের দিকে প্রত্যাবর্তন করানো কিংবা তার বহিঃবাস্তবতার নির্ধারণ; আর তাদাব্বুর হলো সেই অর্থগুলোকে হৃদয় ও কর্মে প্রোথিত করে সেগুলোকে হিদায়াত ও তাকওয়ার উৎসে পরিণত করা।
ভারসাম্যের পথ এটাই, কুরআনের অনুধাবন অর্জিত হবে গ্রহণযোগ্য তাফসিরের মাধ্যমে; নসের প্রকাশ্য অর্থকে মূল ধরা হবে; প্রয়োজন ও চূড়ান্ত প্রমাণ ছাড়া তাওয়িল থেকে বিরত থাকা হবে; আর প্রতিষ্ঠিত অর্থের ওপর গভীর তাদাব্বুরের মাধ্যমে ঈমান ও আমলের সংশোধন সাধন করা হবে।
এই পথই জ্ঞাননিষ্ঠ সততা, চিন্তার ভারসাম্য ও আত্মিক বিকাশকে একসূত্রে গাঁথে।
আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে তাঁর কিতাবের সঠিক তাফসির, সতর্ক তাওয়িল এবং খাঁটি তাদাব্বুরের তাওফিক দান করুন। আমাদেরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন, যারা কুরআন বুঝে তা অনুযায়ী জীবন গড়ে তোলে। আমিন।
———-
ক্যাটাগরি : তাফসির, কোরআন, ইসলামি চিন্তাধারা,
✍ মূল : ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড।
✍ অনুবাদ যাচাই ও সম্পাদনা: মাওলানা মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ।
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/8478