এবং নবীদের অনুসরণের ব্যাপারে।
তৃতীয়ত: তার বুদ্ধিবৃত্তিক প্রশিক্ষণ দিন। অর্থাৎ, সে যেন তার পরিবেশে থেকে দ্বীনের যুক্তিসঙ্গত দিকগুলো উপলব্ধি করে এবং আধুনিক শিক্ষিত সমাজের সামনে দ্বীনের ব্যাখ্যা করতে পারে। বুদ্ধি যত দৃঢ় হবে, ততই সে ফিতনা, সংশয় ও বিভ্রান্তি থেকে দূরে থাকবে।
সারসংক্ষেপ :
অতএব, মূল কথাটি হলো—আপনার সন্তানকে একজন সঠিক দ্বীনদার এবং দ্বীনের দাঈ বানান। তাকে তাকফির (অন্যকে কাফির বলা), তাফসীক (অন্যকে ফাসিক বলা), তাদ্বলীল (অন্যকে গোমরাহ বলা) এবং অনর্থক বিতর্ক-বাগ্বিতণ্ডার মতো বিপদ থেকে দূরে রাখুন। কারণ মুনাজিরা ও অকারণ বিতর্ক মানুষের হৃদয়কে মেরে ফেলে এবং এতে কেবল ঘৃণার জন্ম হয়।
অন্যদিকে নবীরা এই পৃথিবীতে এসেছেন মানুষের হৃদয়কে একত্রিত করার জন্য। তাঁদের দাওয়াত সবসময় খাঁটি শুভেচ্ছা ও কল্যাণকামিতার ওপর প্রতিষ্ঠিত, কখনো প্রতিযোগিতা বা বিরোধের ওপর নয়।
আল্লাহ তাআলা আমাদের সবাইকে নেক বানান এবং আমাদের সন্তানদের সঠিকভাবে গড়ে তোলার তাওফিক দান করুন।
——————–
ক্যাটাগরি : উপদেশ, শিক্ষা।
✍️ মূল রচনা: ড. মুহাম্মদ আকরাম নাদভী, অক্সফোর্ড
✍️ অনুবাদ, যাচাই ও সম্পাদনা: মাওলানা মারজান আহমদ, সিলেট, বাংলাদেশ
—-
🔗 অনূদিত মূল প্রবন্ধের লিংক: 👇
https://t.me/DrAkramNadwi/5788